হামাস (আরবি: حماس (আরবি: حماس হামাস, "উদ্দীপনা", حركة المقاومة الاسلامية হারাকাত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া, "ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন" এর একটি আদ্যক্ষর) হল ফিলিস্তিনি সুন্নি ইসলামী বা ইসলামী
রাজনৈতিক দল যে গাজা স্ট্রিপ নিয়ন্ত্রণ করে। হামাসের ইজ্ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেড নামে একটি সামরিক শাখা আছে। জানুয়ারী ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনি পার্লামেন্ট সংসদীয় নির্বাচনে অধিকাংশ আসন জিতে,জুন ২০০৭ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিন অঞ্চলের গাজা ভূখণ্ড পরিচালিত করছে এবং তারপর সহিংস সংঘাতের মাধ্যমে ফাতাহ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে পরাজিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইস্রায়েল এবং জাপান হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যখন আরব দেশগুলি, রাশিয়া এবং তুরস্ক হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেনি।
গাজা শাসন
পশ্চিম তীরে হামাসের মুরাল।
ফিলিস্তিনে দুটি দল বেশ সক্রিয়। একটি হামাস, অন্যটি ফাতাহ। এর মধ্যে হামাসের দখলে রয়েছে গাজা এলাকা। ২০০৪ সালে আরাফাতের মৃত্যুর পর হামাস ও ফাতাহ'র মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয় এবং সেটা চরম আকার ধারণ করে ২০০৬ এর নির্বাচনের পর। ঐ নির্বাচনে হামাস জয়ী হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরব রাষ্ট্রসমূহ ফিলিস্তিনে সাহায্য বন্ধ করে দেয়। এরপর ২০০৭ সালে হামাস ফাতাহ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীকে পরাজিত করে গাজার দখল নিয়ে নেয়। সেই থেকে গাজা শাসন করছে হামাস।
হামাসের সুবিধা
Pro-Hamas rally in Damascus
পুরো মধ্যপ্রাচ্য পাল্টে দিয়েছে আরব-বসন্ত। হামাসের কাছে আছে আরও শক্তিশালী অস্ত্র। হামাসের ছোড়া রকেট ও গোলা থেকে রক্ষা পেতে ইসরায়েলের দিকে যে তোড়জোড়, তা নিয়ে বেশ উল্লাস চলছে সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকের অনেক পেজে। প্রথমবারের মতো রকেট হামলার হুমকির মুখে পড়েছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল-আবিব ও জেরুজালেম শহর। কূটনৈতিকভাবেও হামাস বেশ সুবিধা পাচ্ছে । আগে যখন ফিলিস্তিন-ইসরায়েল লড়াই বাঁধত, তখন মিসর ও তিউনিসিয়ার ক্ষমতায় ছিল পশ্চিমা-সমর্থিত স্বৈরশাসকেরা। আরব-বসন্তের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। এখন কায়রো ও তিউনিসের নতুন শাসকদের ওপর জোরালো প্রভাব রয়েছে ইসলামপন্থীদের। এতে সুবিধা হয়েছে হামাসের।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন