বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০১৫
মুজাহিদের প্রশিক্ষন
“প্রকৃতপক্ষে মুজাহিদের শারীরিক ফিটনেস, তার বিশাল দূরত্ব দৌড়ানো, ভারী ওজন বহন এবং উল্লেখযোগ্য সময়ব্যাপি শারীরিক পরিশ্রম করতে পারার দক্ষতা তার যুদ্ধময়দানে ব্যবহারোপযুগি হবার প্রধান শর্ত। একজন মুজাহিদ অস্ত্রচালনার ব্যাপারে দক্ষ হতে পারে কিন্তু তার শারীরিক ফিটনেসের অভাবে সে তার অস্ত্রচালিত করার উপযুক্ত অবস্থান নির্ধারন করতে ব্যর্থ হয়, অথবা একটি দেয়াল পরিমাপ করে অস্ত্রচালিত করার একটি তুলনামূলক ভাল অবস্থান নির্ধারন করতে ব্যর্থ হয়। এটা শুধুমাত্র শারীরিক ফিটনেসের অভাবেই হতে পারে। অপরদিকে, উন্নত পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেসসম্পন্ন মুজাহিদ যে কোন কাজ যা তার থেকে প্রয়োজন তা সর্বোৎকৃষ্ট উপায়ে সম্পন্ন করতে পারে যদিও সে অস্ত্রচালনার ব্যাপারে দক্ষ না হয়। কারণ সে অস্ত্রচালনার জন্য সর্বোতকৃষ্ট উপায়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন ও নির্ধারণ করে, আর সে এ সবকিছু সবচেয়ে দ্রুত এবং সহজ উপায়ে করে, যেহেতু ক্লান্তি এবং কাতরতা তাকে জয় করতে পারে না, তার চিন্তাকে আচ্ছন্ন করতে পারে না এবং তার গতিতে কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। এর ফলে আমরা এ কথা বলতে পারি যে, শারীরিক ফিটনেস মুজাহিদের একটি অপরিহার্য সম্পদ, বিশেষকরে স্ট্রীট-ফাইটিং এর ক্ষেত্রে।“আর আমাদের সময়ে, যার মাঝে আমরা বসবাস করছি, আমরা দেখি যে পৃথিবীতে আজ সবগুলো জিহাদই চলছে গেরিলাযুদ্ধ এবং স্ট্রীট-ফাইটিং প্রক্রিয়ায়। আর এর জন্য প্রয়োজন উন্নত পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস। সুতরাং, হে আমার ভাই, নিজ ব্যতীত অন্যের উপর বোঝা হয়ো না, আর এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস অর্জন শুরু কর।
হে আমার ভাই, শারীরিক ফিটনেসের এই ব্যাপারটিকে ছোট বলে মনে কর না, আর জেনে রাখ যে এর পুরস্কার অনেক বড় যদি তা অর্জনের নির্ভেজাল নিয়্যাত থাকে এবং যদি তুমি এর মাধ্যমে নিজেকে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য প্রস্তুত করার নিয়্যাত কর, আর দুর্বল ঈমানদার অপেক্ষা শক্তিশালী ঈমানদার আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়, আর শক্তির মাঝে আছে দৈহিক শক্তি এবং শারীরিক শক্তি।
শাইখ,মুজাহিদ ইউসুফ আল ইউরি বলেছেন,
“মুজাহিদের যে পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস প্রয়োজন তা নিম্নোক্ত বিষয়সমূহকে অন্তর্ভূক্ত করেঃ
১। থামা ব্যতীত ১০ কি.মি.(৬.২ মাইল) জগিং কর, আর এটা করতে সবচেয়ে খারাপ হলে ৭০মিনিট সময় লাগবে।
২। ১৩.৫ মিনিটে ৩ কি.মি (২ মাইল) দূরত্ব দৌড়াও।
৩। ১২-১৫ সেকেন্ড বিরতিতে ১০০ মি. দূরত্ব দৌড়াও।
৪। কোন বিরতি ব্যতীত ১০ ঘন্টা টানা বিশাল দূরত্ব হাটো।
৫। ৪ ঘন্টাব্যাপী ২০ কে.জি. ওজন বহন কর সোজা।
৬। থামা ব্যতীত একবারে ৭০টি পুসআপ দাও (একজন ১০টির মাধ্যমে শুরু করতে পারে, এভাবে প্রতিদিন ৩টি করে বাড়িয়ে যাবে ৭০টি হওয়া পর্যন্ত)।
৭। থামা ব্যতীত একবারে ১০০টি সীটআপ দাও (একজন ১০টির মাধ্যমে শুরু করতে পারে, এভাবে প্রতিদিন ৩টি করে বাড়িয়ে যাবে ১০০টি হওয়া পর্যন্ত)।
৮। সর্বোচ্চ ৭০ সেকেন্ডে আরমস এর উপর ভর দিয়ে ৫০ মি. ক্রল কর।
৯। দৌড়ানোর ন্যায় ফারাত (হাটা, দ্রুত হাটা, জগিং এবং দৌড়ানোর একটি সম্মিলিত অনুশীলন)কর, এবং এটি নিম্নরূপঃ
প্রথমে মুজাহিদ ২ মিনিট হাটে, এরপর সে ২ মিনিট দ্রুত হাটে, এরপর সে ২ মিনিট জগিং করে, এরপর সে ২ মিনিট দৌড়ায়, এরপর সে দ্রুত বেগে ১০০ মি. দৌড়ায়, এরপর সে হাটাতে ফিরে আসে এবং এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না সে টানা ১০ বার বিরতিহীন ভাবে এটা করে। আর স্বাভাবিক হাটা ও দ্রুত হাটার মাঝে পার্থক্য আছে, দ্রুত হাটা ও জগিং এর মাঝে পার্থক্য আছে, জগিং ও দৌড়ানোর মাঝে পার্থক্য আছে, দৌড়ানো ও দ্রুত বেগে দৌড়ানোর মাঝে পার্থক্য আছে। স্বাভাবিক হাটার সাথে সবাই পরিচিত, দ্রুত হাটা হল আগের চেয়ে তুলনামূলক দ্রুত বেগে হাটা যেন পা মাটি থেকে দীর্ঘ সময় উপরে না থাকে যেমন স্বাভাবিক হাটার সময় থাকে। আর জগিং হল যেন একজন ১ কি.মি.(০.৬ মাইল) দূরত্ব ৫.৫ মিনিটের কম সময়ে অতিক্রম করে। আর দৌড়ানো হল যেন একজন ১ কি.মি.(০.৬ মাইল) দূরত্ব ৪.৫ মিনিটের কম সময়ে অতিক্রম করে।
এই পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস একজন মুজাহিদ দ্বারা ১ মাসের মধ্যেই অর্জিত হতে পারে যদি সে কঠোর প্রচেষ্টা চালায়, এই শর্তানুসারে, যে সে পর্যায়ক্রমে আগাবে, নিজের পেশীর ক্ষতি করবে না বা ছিড়ে ফেলবে না। উদাহরনস্বরূপ, যদি একজন মাসের শুরুতে ১৫ মিনিট জগিং করে এবং প্রতিদিন ২ মিনিট করে বাড়ায় তবে তার মানে দ্বাড়ায় যে, এক মাসের মাঝে সে বিরতিহীন টানা এক ঘন্টা দৌড়ানোর সামর্থ্য রাখবে ( যদি ধরে নেই যে ২০ দিনে এক মাস অর্থাৎ, সে সপ্তাহে ৫ দিন দৌড়াবে)। একইভাবে, যদি সে মাসের শুরুতে ১০টি করে পুশআপ দেয় এবং প্রতিদিন ৩টি করে বাড়ায় তবে এর মানে দ্বাড়ায় যে সে মাসের শেষে বিরতিহীন টানা ৭০ টি পুষআপ দিতে পারবে। সুতরাং, ধীরে ধীরে এবং অবিচ্ছিন্ন ভাবে অনুশীলন একজনের ফিটনেসের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলে। একজন মুজাহিদের এই শারীরিক অনুশীলনের সাথে একইসাথে শক্তিবর্ধক অনুশীলন থাকতে হবে যা তার পেশীকে শক্তিশালী করবে এবং উপযুক্ত করে তুলবে। আর মুজাহিদের অবশ্যই সেই ধরনের ভারী অনুশীলনে মনযোগ দিতে হবে যা কোন প্রকারের ভারী সাজসঞ্জাম ছারাই করা যায় যেন যে কোন জায়গাতেই তার অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে। একজনের শরীরের উপর অনুশীলনের সাজসরঞ্জামের খারাপ প্রভাব হল যে যদি সে এগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য সময় দূরে থাকে, তবে সে নিস্ক্রিয় হয়ে পরে। সর্বোতকৃষ্ট অনুশীলন হল সেগুলো যেগুলো সহজেই করা যায় এবং শরীরের নিজের শক্তির উপর নির্ভর করে।“
হে আমার ভাই, শারীরিক ফিটনেসের এই ব্যাপারটিকে ছোট বলে মনে কর না, আর জেনে রাখ যে এর পুরস্কার অনেক বড় যদি তা অর্জনের নির্ভেজাল নিয়্যাত থাকে এবং যদি তুমি এর মাধ্যমে নিজেকে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য প্রস্তুত করার নিয়্যাত কর, আর দুর্বল ঈমানদার অপেক্ষা শক্তিশালী ঈমানদার আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়, আর শক্তির মাঝে আছে দৈহিক শক্তি এবং শারীরিক শক্তি।
শাইখ,মুজাহিদ ইউসুফ আল ইউরি বলেছেন,
“মুজাহিদের যে পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস প্রয়োজন তা নিম্নোক্ত বিষয়সমূহকে অন্তর্ভূক্ত করেঃ
১। থামা ব্যতীত ১০ কি.মি.(৬.২ মাইল) জগিং কর, আর এটা করতে সবচেয়ে খারাপ হলে ৭০মিনিট সময় লাগবে।
২। ১৩.৫ মিনিটে ৩ কি.মি (২ মাইল) দূরত্ব দৌড়াও।
৩। ১২-১৫ সেকেন্ড বিরতিতে ১০০ মি. দূরত্ব দৌড়াও।
৪। কোন বিরতি ব্যতীত ১০ ঘন্টা টানা বিশাল দূরত্ব হাটো।
৫। ৪ ঘন্টাব্যাপী ২০ কে.জি. ওজন বহন কর সোজা।
৬। থামা ব্যতীত একবারে ৭০টি পুসআপ দাও (একজন ১০টির মাধ্যমে শুরু করতে পারে, এভাবে প্রতিদিন ৩টি করে বাড়িয়ে যাবে ৭০টি হওয়া পর্যন্ত)।
৭। থামা ব্যতীত একবারে ১০০টি সীটআপ দাও (একজন ১০টির মাধ্যমে শুরু করতে পারে, এভাবে প্রতিদিন ৩টি করে বাড়িয়ে যাবে ১০০টি হওয়া পর্যন্ত)।
৮। সর্বোচ্চ ৭০ সেকেন্ডে আরমস এর উপর ভর দিয়ে ৫০ মি. ক্রল কর।
৯। দৌড়ানোর ন্যায় ফারাত (হাটা, দ্রুত হাটা, জগিং এবং দৌড়ানোর একটি সম্মিলিত অনুশীলন)কর, এবং এটি নিম্নরূপঃ
প্রথমে মুজাহিদ ২ মিনিট হাটে, এরপর সে ২ মিনিট দ্রুত হাটে, এরপর সে ২ মিনিট জগিং করে, এরপর সে ২ মিনিট দৌড়ায়, এরপর সে দ্রুত বেগে ১০০ মি. দৌড়ায়, এরপর সে হাটাতে ফিরে আসে এবং এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না সে টানা ১০ বার বিরতিহীন ভাবে এটা করে। আর স্বাভাবিক হাটা ও দ্রুত হাটার মাঝে পার্থক্য আছে, দ্রুত হাটা ও জগিং এর মাঝে পার্থক্য আছে, জগিং ও দৌড়ানোর মাঝে পার্থক্য আছে, দৌড়ানো ও দ্রুত বেগে দৌড়ানোর মাঝে পার্থক্য আছে। স্বাভাবিক হাটার সাথে সবাই পরিচিত, দ্রুত হাটা হল আগের চেয়ে তুলনামূলক দ্রুত বেগে হাটা যেন পা মাটি থেকে দীর্ঘ সময় উপরে না থাকে যেমন স্বাভাবিক হাটার সময় থাকে। আর জগিং হল যেন একজন ১ কি.মি.(০.৬ মাইল) দূরত্ব ৫.৫ মিনিটের কম সময়ে অতিক্রম করে। আর দৌড়ানো হল যেন একজন ১ কি.মি.(০.৬ মাইল) দূরত্ব ৪.৫ মিনিটের কম সময়ে অতিক্রম করে।
এই পর্যায়ের শারীরিক ফিটনেস একজন মুজাহিদ দ্বারা ১ মাসের মধ্যেই অর্জিত হতে পারে যদি সে কঠোর প্রচেষ্টা চালায়, এই শর্তানুসারে, যে সে পর্যায়ক্রমে আগাবে, নিজের পেশীর ক্ষতি করবে না বা ছিড়ে ফেলবে না। উদাহরনস্বরূপ, যদি একজন মাসের শুরুতে ১৫ মিনিট জগিং করে এবং প্রতিদিন ২ মিনিট করে বাড়ায় তবে তার মানে দ্বাড়ায় যে, এক মাসের মাঝে সে বিরতিহীন টানা এক ঘন্টা দৌড়ানোর সামর্থ্য রাখবে ( যদি ধরে নেই যে ২০ দিনে এক মাস অর্থাৎ, সে সপ্তাহে ৫ দিন দৌড়াবে)। একইভাবে, যদি সে মাসের শুরুতে ১০টি করে পুশআপ দেয় এবং প্রতিদিন ৩টি করে বাড়ায় তবে এর মানে দ্বাড়ায় যে সে মাসের শেষে বিরতিহীন টানা ৭০ টি পুষআপ দিতে পারবে। সুতরাং, ধীরে ধীরে এবং অবিচ্ছিন্ন ভাবে অনুশীলন একজনের ফিটনেসের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলে। একজন মুজাহিদের এই শারীরিক অনুশীলনের সাথে একইসাথে শক্তিবর্ধক অনুশীলন থাকতে হবে যা তার পেশীকে শক্তিশালী করবে এবং উপযুক্ত করে তুলবে। আর মুজাহিদের অবশ্যই সেই ধরনের ভারী অনুশীলনে মনযোগ দিতে হবে যা কোন প্রকারের ভারী সাজসঞ্জাম ছারাই করা যায় যেন যে কোন জায়গাতেই তার অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে। একজনের শরীরের উপর অনুশীলনের সাজসরঞ্জামের খারাপ প্রভাব হল যে যদি সে এগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য সময় দূরে থাকে, তবে সে নিস্ক্রিয় হয়ে পরে। সর্বোতকৃষ্ট অনুশীলন হল সেগুলো যেগুলো সহজেই করা যায় এবং শরীরের নিজের শক্তির উপর নির্ভর করে।“
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০১৫
জিহাদ শব্দের আভিধানিক ব্যবহারসম্পাদনা
জিহাদ শব্দের আভিধানিক ব্যবহারসম্পাদনা
আক্ষরিক ভাবে জিহাদ শব্দটির অর্থ হলো কোনো বিষয়ে সংগ্রাম করা। এই সংগ্রাম সশস্ত্র বা অহিংস, ধর্মীয় বা ধর্মনিরপেক্ষ, সব রকমেরই হতে পারে। যেমন, মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনকে আরবি ভাষায় জিহাদ বলেই অভিহিত করা হয়। একইভাবে নারীমুক্তির আন্দোলনকেও আরবি ভাষার বিভিন্ন প্রকাশনায় জিহাদ বলা হয়।
আরবের বাইরে জিহাদ শব্দটি বর্তমানে সশস্ত্র ও নিরস্ত্র সংগ্রাম - দুই রকমেরই অর্থে বর্তমানে ব্যবহৃত হয়। এটি ন্যায়নিষ্ঠ জীবনযাপন করে ইসলাম ধর্ম পালন এবং অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম বোঝায়। জিহাদের দুই রকমের অর্থ্য করা একটি বিতর্কিত বিষয়। গ্যালাপ পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, ইন্দোনেশিয়ার অধিকাংশ ব্যক্তি এই শব্দটির অর্থত "ইসলামের ও ন্যায়ের জন্য জীবন বিসর্জন করা", অথবা "ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা" বলে মনে করেন। লেবানন, কুয়েত, জর্ডান ও মরক্কোতে অধিকাংশ ব্যক্তি এই শব্দটি দিয়ে স্রষ্টার প্রতি কর্তব্য, বা উপাসনা বোঝেন, এবং শব্দটির সাথে কোনোরকম সশস্ত্র সংগ্রামকে জড়ান না। অন্যান্য দেশের লোকদের মতে পাওয়া গেছে,:
"কঠিন পরিশ্রম করা" ও "জীবনের লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কাজ করা"
"ন্যায়ের জন্য সংগ্রাম করা"
"শান্তি, সমৃদ্ধি ইত্যাদির জন্য কাজ করা"
"ইসলামের নীতি মেনে চলা"
মোবাইল সিকিউরিটি
মোবাইল সিকিউরিটিঃ
আপনি যখনই সিম কার্ড মোবাইলে প্রবেশ করান তখন, মোবাইল Blade System Definition (BSD) নামক একটি সিগন্যাল গ্রহণ করে। এই সিগন্যাল আপনার মোবাইল ডিভাইসকে সনাক্ত করে নিকটবর্তী মোবাইলে স্টেশনে(টাওয়ার) সঙ্কেত পাঠায়। আপনার মোবাইলের সিগানালকে সনাক্ত করার পর নিকটবর্তী মোবাইলে স্টেশন থেকে ট্রান্সমিটারে পাঠায় যেখানে প্রত্যেক মোবাইলের জন্য একটি বিশেষ কোড থাকে। তারপর মোবাইলে স্টেশন আপনার মোবাইলের বিশেষ কোড (IMEI)-এর সাথে সংযোগ স্থাপন করেন। এভাবেই আপনার মোবাইলের সমস্ত তথ্য মোবাইল কোম্পানির তথ্য ভাণ্ডারে/ ডাটাবেসে জমা হয়ে থাকে।
যেমুহূর্তে আপনার মোবাইলে একটা কল/ বার্তা আসে বা যায় তখনই যেই সব তথ্য মোবাইল কোম্পানির তথ্য ভাণ্ডারে জামা হয়ে যায়। এই কারনেই প্রতিমুহূর্তে আপনার মোবাইলের বিশেষ কোড (IMEI), সিমের কোড নম্বর, আপনার অবস্থান মোবাইল কোম্পানির কাছে পৌঁছে যায়। প্রত্যেক মোবাইলের জন্যই একটা বিশেষ কোড (IMEI) থাকে যা প্রত্যেক মোবাইল চিপের জন্য এই কোড আলাদা। এই কোড দিয়ে মোবাইলের মালিক ও পৃথিবীর কোথায় তার অবস্থান সেটা পিন-পয়েন্টে নির্ণয় করা যায়। আপনার নিকতবর্তী মোবাইল স্টেশনে প্রত্যেক সেকেন্ডে আপনার অবস্থান কোম্পানির কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এমন ব্যাটারি সনযুক্ত কিন্তু ফোন বন্ধ থাকা অবস্থায়ও সিগন্যাল পাঠায়।ফলে কোম্পানি প্রতি মুহূর্তে আপনার ইন্টারনেট ব্রাওজিং হিস্টোরি, কল, মেসেজ রেকর্ড নিয়ে নিচ্ছে।
প্রতিকারের উপায় ???, উত্তর হল- আপনি যদি আপনার প্রতি মুহূর্তের রেকর্ড কাফেরদের কম্পিউটারে সেভ করে না রাখতে চান তাহলে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করুন।
সরণ করুন, আপনার প্রতি মুহূর্তের রেকর্ড জমা রাখা হয়, আর যে কোন কুফর গোয়েন্দা সংস্থা অতি সহজে সেগুলো নিয়ে নিতে পারে। আফগানিস্তানে মার্কিন অগ্রাসনের আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা আফগান মোবাইল কোম্পানিগুলোর সব তথ্য হ্যাক করে নিয়েছিল, তারপর মোবাইল ফোন ব্যবহার করা মুজাহিদীনদের উপর সমুদ্রে জাহাজ ও আকাশে বিমান থেকে মিসাইল নিক্ষেপ করেছিল। ইরাকেও মার্কিন সেনারা যেয়ে প্রথমে মোবাইল স্টেশনগুলো হ্যাক করে সবার রেকর্ডের উপর নজরদারি করে আকাশ থেকে ড্রোন ব্যবহার করে মিসাইল নিক্ষেপ করেছিল।.jpg)
.jpg)
যে আল্ললাহর বান্দারা, আল্লাহ্ ও আপনার শত্রুরা ইসলামের বিরুদ্ধে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, আল্লাহ্র প্রিয় বান্দাদেরকে খুঁজে বের করে হত্যা করার জন্য। আপনার উচিত আপনার ও প্রিয় দ্বীনি ভাইদের নিরাপত্তার জন্য এখন থেকেই সতর্ক হওয়া। সরণ করুন, আবু হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ [ﷺ] বলেছিলেন, “অচিরেই আকাশ থেকে অনিষ্টকর বিষয় বর্ষিত হবে, এমনকি তা জনশূন্য সুদূর মরুভুমিতেও পৌঁছে যাবে।“
উক্ত হাদিসে ‘السماء’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ আকাশ অর্থাৎ মানুষের মাথার উপর যা কিছু আছে সব কিছুকেই বোঝায়। বর্তমান যুগের সাথে মিলিয়ে দেখুন- স্যাটেলাইট , টিভি, রেডিও, মোবাইল টাওয়ার, ইন্টারনেট সব কিছুই আকাশের থেকে আসে আর এগুলো এত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক যে জনশূন্য সুদূর মরুভুমিতেও পৌঁছে যায়।
তাই হাদিসের আনুসরনে বলব, “আগে আপনার উটকে বাঁধুন, তারপর আল্লাহ্র উপর ভরসা করুন”।(আত-তিরমিজিঃ ২৫১৭)
অর্থাৎ আগে নিজে সতর্ক হয়ে আল্লাহ্র উপর ভরসা করুন।
আর, “মুমিনরা কখনও একগর্তে ২ বার দংশিত হয় না”
The believer does not allow to be stung twice from one (and the same) hole ( Sahih Muslim 7137 )
আল্লাহ্ যেন আমাদের সকল দ্বীনি ভাইদেরকে সকল প্রকার ফিতনাহ আর তাগুতের বাহিনী থেকে হেফাজত করেন।
২। মুজাহিদীনদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাঃ
ক) আল্লাহ্ আপনাকে এক বিশেষ কণ্ঠ দিয়ে সৃষ্টি করেছে যা, আর কারও সাথে মিল নেই। তাই আপনি যতই মোবাইল পরিবর্তন করে কথা বলুন,ভয়েস বিশ্লেসন করে আপনি আগে কোন কথার সাথে মিলিয়ে আপনার পরিচয় ও বৃত্তান্ত জমা থাকলে সহজে বের করা সম্ভব। তাই মোবাইল থেকে সাবধান।
খ) নতুন মোবাইলগুলোতে আপনি না চাইলেও আপনার আশেপাশের কথা গুলো, মোবাইল কম্পানি/ অ্যাপস কোম্পানি অ্যাপসের মাধ্যমে শুনে ফেলতে পারে। যেমন ধরুন, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল গুলোতে কোন অ্যাপস ইন্সটল করার আগে অনেকগুলো পারমিশান চায়, GPS লোকেশান, ফোনের কল রেকর্ডস, কল লিস্ট, মেসেজ ইত্যাদি। আপনি অ্যাপস ইন্সটল করলে এগুলো তারা অটোম্যাটিকালি নিয়ে নেয়। ধরুন আপনি কোন সেফ হউজে গুরুত্বপূর্ণ মিটিঙে আছেন আর আপনার মোবাইল আপনার পকেটে। তাহলে বলুন, আপনার ও আপনার ভাইদের অবস্থা কি হবে? আপনার একার জন্য সবাই চিহ্নিত হয়ে যাবেন।
গ) টাচ মোবাইল ফোনঃ কি আর বলব ! আমাদের মাদ্রাসার ছাত্রদের কাছেও টাচ ফোন থাকা মানে বিশাল ভাবের বিষয়, যার কাছে নেই সে অন্যদের ঈর্ষার চোখে দেখে। অথচ আপনারা অনেকেই জানেন হয়ত না যে, আজকাল ইন্টারনেটে ২ টাকা খরচ করে অশ্লীল, পর্ণো সিনেমা ডাউনলোড করে দেখা যায় যা আমাদের দেশের তরুণ ছেলেদেরকে এখন হিরোয়িন বা মদ-গাজার থেকেও বেশী টানে। আবার অজ-পাড়া গাঁ’য়ের মোবাইলের কম্পিউটারে গান ভরার দোকানের প্রধান কাজ হল এইসব অশ্লীল ভিডিও জোগাড় করে ১০/২০ টাকার বিনিময়ে যুবক ছেলেদের মোবাইলে তুলে দেওয়া যাতে বিয়ের আগে তার যৌবন বলতে কিছু অবশিষ্ট না থাকে। এইসব দেখার ফলেই ছেলে-মেয়েদের যিনা-ব্যভিচারের প্রবনতা আগের ১০০০ বছরের তুলনায় হঠাৎ করে আনেক আনেক গুন বেড়ে গেছে। আপনারা নিজে ও আপনাদের ছোটদের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। দুঃখিত আরেক প্রসঙ্গে চলে গেলাম। আল্লাহ্ যেন আমাদের এইসব দাজ্জালি ফিতনা থেকে বাচার তৌফিক দেন।
টাচ মোবাইলে টাচ অংশে আপনি যখন টাচ করেন সেখানকার সেন্সর সক্রিয় হয়ে মোবাইলের কেন্দ্রীয় অংশে সুংকেত পাঠায় অর্থাৎ টাচ অংশ ইনপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে। আপনি কি এখটুও খেয়াল করে দেখেছেন যে এই টাচ ফোন আপনার আঙ্গুলের ছাপ সংগ্রহ করে কাফেরদের ডাটাবেসে পাঠিয়ে দিচ্ছে নাকি ??? ভাই, নতুন টাচ ফোন গুলোতে আপনার আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া খুবই সহজ কাজ। তাছাড়াও , ফোনের হোম বাটনকে সেন্সর হিসাবেও ব্যবহার করা হয়। ভেবে দেখুন, আপনি টাচ মোবাইল মোবাইল ব্যবহার করেন আর দ্বীনি কাজও করেন, আর আপনার মোবাইলের মাধ্যমে আপনার আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করে সরকারের কম্পিউটারে কাছে থাকা ভোটার আইডি কার্ডের আঙুলের ছাপ মিলালে আপনার নাম, আব্বার নাম, ঠিকানা… … আশা করি আর বলা লাগবে না ! এসবই পেয়ে যাবে। তাহলে বুঝুন, দাজ্জালি ফিতনা শুধু আপনার ঘরের দরজায়ই না, হাতের মধ্যে ঢুকে বসে আছে। ভাই, সতর্ক হোন।
ঘ) আপনি ল্যাপটপে কাজ করার সময় কখনো কি খেয়াল করেছেন কেউ আপনাকে দেখছে কি না ? আপনার সামনের ওয়েব-ক্যামের এক-চোখা দাজ্জাল আপনাকে ভিডিও করছে কিনা/ ছবি তুলছে কিনা মনে করেছন কখনও?
বড় বড় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এমন সফটওয়্যার/ভাইরাস আছে যা আপনাকে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় ক্যামেরার লাইট বন্ধ থাকা শর্তেও ছবি তোলা/ ভিডিও করতে সক্ষম। এমনকি এভাবেই প্রতারকরা ওয়েব-ক্যামের দিয়ে আপনার গোপন কোন ভিডিও তুলে ব্ল্যাক-মেইল করতে পারে। এক্ষনি আপনার সামনের ঐ একচোখা দাজ্জাল শক্ত পর্দা দিয়ে ঢেকে দিন।
ঙ) মোবাইলে ১ টি সিমের সাথে ১ টি বিশেষ কোড IMEI থাকে যা আপনার মোবাইলে *#06# চাপলে পেয়ে যাবেন , ২ টি সিমেকে সনাক্ত করার জন্য ২ টি নম্বর থাকে। ঠিক তেমনি, কম্পিউটারের Wifi, Bluetooth, Ethernet , VirtualBox, Tunnel adapter, LAN adapter, Media Player –ইত্যাদির জন্য একটি করে বিশেষ কোড (Mac Address) থাকে, আমার IP পরিবর্তন করলেও এই কোডগুলো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে যা হার্ডওয়্যারে পরিবর্তন না করলে কখনো পরিবর্তন হয় না।
MS Windows কম্পিউটারের জন্য Command Prompt-এ যেয়ে ipconfig /all এই কমান্ডটি লিখে Enter button চাপলে আপনার কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়্যারের Physical Address দেখতে পাবেন যা ২ ডিজিট করে মোট ৬ অংশে অর্থাৎ মোট ৬*২=১২ টি Hexadecimal ডিজিটে থাকে।
সুতরাং শুধু টর ব্যবহার করলেই যে আপনি নিরাপদ তা নয়, ব্রাউজার এর সাথে সংযুক্ত Add-ons/Extension গুলো, যেমন: Adobe Flash Player, Reader Add ons ভিডিও দেখার সময় বা বই পড়ার সময় আপনার আইডেনটিটি, হিস্ট্রি সব কোম্পানির কাছে পাঠিয়ে দেয়। তাই ব্রাউজারের যেসব Add-ons ভেতরের সাথে সংযুক্ত হয় সেসব ব্যবহার করা উচিত না।
জিহাদ করতে ইচ্ছুক এমন ভাইদের জন্য লেখা
বাংলাদেশের বর্তমান অনেক ভাই আছেন যারা জিহাদ করতে ইচ্ছুক কিন্তু কোন মাধ্যম না জানার কারণে কি করবেন বুঝে উটতে পারছেন না, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি দিক নির্দেশনা। নিঃসন্দেহে কাফের এবং মুসলিমের পার্থক্য সালাত দিয়ে। কিছু ভাই থাকতে পারে যারা জিহাদের পথকে বুঝতে পেরেছেন কিন্তু এখনো ৫ ওয়াক্ত সালাত ঠিক মতো আদায় করছেন না। হয়তো ৪ ওয়াক্ত আদায় করছেন এক ওয়াক্ত বাদ যাছে, নয়তো ২ ওয়াক্ত বাদ যাচ্ছে ৩ ওয়াক্ত আদায় করছেন অথবা এরকম কিছু একটা হচ্ছে তারা আজ এই লেখাটি পড়ার সাথে সাথে তওবা করে নিন এবং ৫ ওয়াক্ত জামাতে আদায় করার নিয়ত করে নিন। ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মানে চলুন। যার যার অবস্থান থাকে জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করুন। মনে রাখবেন নিজের জান এবং মাল দ্বারাই জিহাদ করতে হবে। নিজেকে আল্লাহ্র রাস্তায় নিয়জিত করতে হবে। নিজেকে আল্লার পথেই বিলিয়ে দিতে হবে। তাহলেই আসবে সে মহা- সাফল্য হয়তো শাহাদাত নয়তো গাজী। বাংলাদেশে খলীফা বা আমীরের আদেশ আশার সাথে সাথেই জিহাদে ঝাঁপিয়ে পরতে হবে। যতদিন জিহাদের নির্দেশ না আসে তত দিন কি করবেন? আমাদের মনে রাখতে হবে পশ্চিমা গুষ্টি আমাদের সাথে আল্লার ইচ্ছায় সামরিক যুদ্ধে জয়লাভ করে না বরং জয়লাভ করে মিডিয়া যুদ্ধে। তারা এই মিডিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করছে পুরো পৃথিবী। তাদের এই মিডিয়া দ্বারা মুসলিমদের মগজ ধূলায় করেছে। মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা বলে মুসলিমদের ধোঁকা দিচ্ছে। হক এবং বাতিলকে মিশ্রিত করে ফেলেছে। আমাদের ঠিক এই স্থানে আঘাত করতে হবে। কি ভাবে আঘাত করবেন তাদের মতো বড় বড় মিডিয়া তো আপনার হাতে নেই তাতে কি হয়েছে। আপনার কাছে ইন্টারনেট আছে, একটি PC অথবা mobile আছে এটি নিয়েই ঝাঁপিয়ে পরুন কাফেরদের বীরুধে। ফেচবুক, টুইটার, ইউটিউব ইত্যাদি যে সব সামাজিক যোগাযোগ মিডিয়া আছে তাতে শুরু করে দিন মিডিয়া জিহাদ। মানুষের মনে আবার ঢুকিয়ে দিন কালেমার সঠিক ব্যাখ্যা। দূর করেদিন জিহাদ সম্পর্কে মানুষের ভুল ধারণা। আপনি শুরু করুন ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহ্ আপনাকে সাহায্য করবেন। অনেক ভাই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছেন কিন্তু এখন সে সময় আসেনি তাই আমরা তা পারছি না। আর আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন সে দিন বেশি দূরে নয় আল্লাহ্ পরিস্থিতি উল্টিয়ে দিবেন। ততদিন এ ভাবে মিডিয়া জিহাদ চালিয়ে যান। কোন ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে খাট করে দেখবেন না, মনে রাখবেন ক্ষুদ্রের উপরই বৃহৎ তৈরি হয়। চেষ্টা চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ্ জয়ী আমরাই হবো।
রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) প্রেমই ঈমানের ভিত্তি
আল্লাহ তা’য়ালা ইরশাদ ফরমান:
قُلْ اِنْ كَانَ اَبَاؤُكُمْ وَاَبْنَاؤُكُمْ وَ اِخْوَانُكُمْ وَ اَزْوَاجُكُمْ وَ عَشِيْرَتُكُمْ وَاَمْوَالُ نِ اقْتَرَفْتُمُوْهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا وَمَسَكِنُ تَرْضَوْنَهَا اَحَبَّ اِاَيْكُمْ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُوْلِهِ وَ جِهَادٍ فِىْ سَبِيْلِهِ فَتَرَبَّصُوْا حَتَّى يَاْتِىَ اللَّهُ بَاَمْرِهِ وَاللَّهُ لآ يَهْدِىْ الْقَوْمَ الْفَسِقِيْنَ
(হে নবী, তুমি বলে দাও- ওহে লোক সকল, তোমাদের মাতা-পিতা, সন্তান, ভাই, পত্নী, স্বগোষ্ঠী, অর্জিত সম্পদ, ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দা পরার আশংকা কর, এবং তোমাদেরপছন্দনীয় বাসস্থান- এসবের কোন একটি যদি তোমাদের কাছে আল্লাহ, তার রাসুল এবং তার পথে চলার প্রচেষ্ঠা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তাহলে আল্লাহর শাস্তি আসা পর্যন্ত আপেক্ষা কর।আল্লাহ তা’য়ালা অবাধ্যদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করেন না।
আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ ফরমান :
لاَ يُوْمِنُ اَحَدُكُمْ حَتَّى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ اَجْمَعِىْنَ
তোমাদের কেউ ততক্ষন পর্যন্ত ইমানদার বলে গন্য হবে না, যতক্ষন পর্যন্ত না আমি তার কাছে তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সমস্ত মানুষ থেকে অধিক প্রিয় না হই (বুখারী ওমুসলিম)
ইসলাম
ইসলাম
اِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ اْلاِسْلاَمِ
অনুবাদঃ আল্লাহপাকের নিকট ইসলাম একমাত্র মনোনীত ধর্ম। ইহা কোরআনের শিক্ষা ওরাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম) এর আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলাম কথাটির একটি অর্থ আত্নসমর্পণ এবং ইহার আর একটি অর্থ শান্তি। এই দুইটি অর্থের মধ্যে পরম্পরের বেশ সংযোগ ও সামঞ্জস্য রহিয়াছে। ইসলামের বিস্তারিত অর্থের ভিতর দিয়া তাহা পরিস্ফুটিত হইয়া উঠিয়াছে। উহার বিস্তারিত অর্থ এই যে, আল্লাহপাক বিশ্ব মানবকে সরল পথে পরিচালিত করিবার জন্য তাঁহার প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) কে যে ধর্ম প্রচার করিতে পৃথিবীতে প্রেরণ করিয়াছেন তাহার নামই ইসলাম। ইসলামের বিধান সমূহ এতই সুন্দর ও যুক্তিপূর্ন যে, ইহার বিধিনির্দেশগুলি সুষ্ঠুরূপে পালন করিলে মানুষ্য জীবন সার্থক হয়। ন্যায়, পবিত্রতা এবং বন্দেগীর অনাবিল আনন্দে মন প্রাণ ভরিয়া উঠে, দুনিয়া সুখ ও শান্তির ভান্ডারে পরিণত হয়, পরকালে আল-াহপাকের শ্রেষ্ঠ নেয়ামত বেহেশতে প্রাপ্তি ঘটে।
ইসলাম ধর্মের ভিত্তি মোট পাঁচটি, যথাঃ
১) ঈমান (কালেমা) ২) নামায ৩) রোযা ৪) হজ্জ ৫) যাকাত।
নামাযের প্রয়োজনীয় দোয়া
নামাযের প্রয়োজনীয় দোয়া
জায়নামাযে দাঁড়াইয়া পড়িবার দো’আ
اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَالسَّمَوَتِ وَاْلاَرْضَ حَنِيْفَاوَّمَااَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ
উচ্চারণঃ ইন্নি ওয়াজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন ।
অনুবাদ: নিশ্চই আমি তাঁহার দিকে মুখ ফিরাইলাম, যিনি আসমান জমিন সৃষ্টি করিয়াছেন । আমি মুশরিকদিগের দলভুক্ত নহি ।
আত্তাহিয়াতু
اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاةِ وَالطَّيِّبَاتُ اَلسَّلاَمُ عَلَيْكَ اَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه‘ – اَلسَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّا لِحِيْنَ – اَشْهَدُ اَنْ لاَّ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدً عَبْدُه‘ وَرَسَوْلُه‘-
উচ্চারন: আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত্তায়্যেবাতু আস্-সালামু আলাইকা আইয়ু্যহান্নাবীয়ু্য ওয়া রামাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আস্-সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন । আশহাদু আল-লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু ।
অনুবাদ: জান এবং মাল সর্বপ্রকার ইবাদতই আল্লাহুর জন্য । হে পয়গাম্বর, আপনার উপর আল্লাহর কৃপা, বরকত এবং শান্তি বর্ষিত হইক । আমাদের উপর এবং আল্লাহর পূণ্যবান বান্দাগণের উপর শান্তি বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কেহ উপাস্য নাই । আমি আরও সাক্ষ্য দিতেছি যে, নিশ্চই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) তাঁহার বান্দা ও রাসূল ।
দুরূদ শরীফ
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى اِبْرَ اهِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَ اهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ-
اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى اِبْرَ اهِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَاهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌمَّجِيْدٌ
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আলি মুম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজীদ । আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ ।
অনুবাদঃ যে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর ঐরূপ আশীর্বাদ অবতীর্ণ কর যেইরূপ আর্শীবাদ হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর অবতীর্ণ করিয়াছ । নিশ্চই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম । হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর সেইরূপ অনুগ্রহ কর যে রূপ অনুগ্রহ ইব্রাহীম (আঃ) এবং তাঁহার বংশরগণের উপর করিয়াছ । নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম ।
দোয়ায়ে মাসুরা
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِىْ وَلِوَ الِدَىَّ وَلِمَنْ تَوَالَّدَ وَلِجَمِيْعِ الْمُؤْ مِنِيْنَ وَالْمُؤْ مِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالاْاَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالْاَمُوْ اَتْ بِرَحْمَتِكَ يَااَرْحَمَرَّحِمِيْنَ
উচ্চারনঃ আল্লাহুমাগ ফিরলী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিমান তাওয়াল্লাদা ওয়ালি জামীঈল, মু’মিনীনা ওয়াল মুমিনাত, ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাত, ওয়াল আহ্ইয়ায়ি মিনহুম ওয়াল আমুয়াত, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন ।
অনুবাদঃ হে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা! আমাকে, আমার পিতা মাতাকে, সন্তান-সন্ততিকে, সমস্ত মু’মিন পুরুষ ও নারীকে এবং জীবিত মৃত সমস্ত মুসলিম নর-নারীকে ক্ষমা কর ।
দোয়া কুনুত
ইহা বিতরের নামাযে পড়তে হয়
اَللَّمُمَّ
اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা ওয়ানুমিনু বিকা ওয়ানাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনী আলাইকাল খাইর । ওয়া নাসকুরুকা আলা নাক ফুরুকা ওয়ানাখলাউ উয়ানাত রুকু মাইয়্যাফযুরুকা । আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা বুদু ওয়ালাকা নুছালি্ল ওয়া নাস জুদু ওয়া ইলাইকা নাসয়া ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখশা আজাবাকা ইন্না আজাবাকা বিলকুফফারি মূলহিক ।
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি, তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি । তোমার নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করিতেছি, তোমার উপর ঈমান আনিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি তোমার গুণগান করিতেছি এবং তোমারই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি । আমরা তোমাকে অস্বীকার করি না । যাহারা তোমার হুকুম অমান্য করে তাহাদের সঙ্গে আমরা সংশ্রব সংসগ্র পরিত্যাগ করি । হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি, তোমারই খেদমতে হাজির হই এবং তোমার রহমতের আশা করি ও তোমার শাস্তিকে ভয় করি । নিশ্চই তোমার আজাব অবিশ্বাসিগণ ভোগ করিবে ।
১ এপ্রিল ফুল - আসলে কি ???
ইসলামের শাশ্বত সৌন্দর্য ও কল্যাণে আকৃষ্ট হয়ে বিশ্বের দেশে দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের যে জোয়ার ওঠে সেই ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপের মাটিতেও ৷ অষ্টম শতাব্দীতে স্পেনে কায়েম হয় মুসলিম শাসন ৷ মুসলমানদের নিরলস প্রচেষ্টায় স্পেন জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সভ্যতার ক্ষেত্রে বিস্ময়কর উন্নতি লাভ করে ৷ দীর্ঘ ৮০০ বছর একটানা অব্যাহত থাকে এ উন্নতির ধারা ৷
স্পেনে মুসলমানদের ৮০০ বছরের গৌরবময় শাসনের ফলে দেশটিতে তখন অর্থসম্পদ, বিত্ত-বৈভবের অঢেল জোয়ার ৷ মুসলমানরা ভোগ-বিলাসে মত্ত হয়ে ভুলে যায় কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষা ৷ নৈতিক অবক্ষয় ও অনৈক্য ধীরে ধীরে গ্রাস করে তাদের ৷ এ দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে খ্রিষ্টান জগত্ ৷ তারা মেতে উঠে কুটিল ষড়যন্ত্রে ৷ সিদ্ধান্ত নেয়, 'স্পেনের মাটি থেকে মুসলমানদের উচ্ছেদ করতে হবে ৷' এ চিন্তা নিয়েই পর্তুগীজ রাণী ইসাবেলা চরম মুসলিম-বিদ্বেষী পার্শ্ববর্তী খ্রিষ্টান সম্রাট ফার্দিনান্দকে বিয়ে করে ৷ বিয়ের পর দু'জন মিলে নেতৃত্ব দেয় মুসলিম নিধনের ৷ খ্রিষ্টানদের সম্মিলিত বাহিনী হাজার হাজার নারী-পুরুষকে হত্যা করে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে উল্লাস করতে করতে ছুটে আসে রাজধানী গ্রানাডায় ৷
এতদিনে টনক নড়ে মুসলিম বাহিনীর ৷ কখনো সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজিত করতে পারেনি বলে চতুর ফার্দিনান্দ পা বাড়ায় ভিন্ন পথে ৷ তার নির্দেশে আশপাশের সব শস্যখামার জ্বালিয়ে দেয়া হয় ৷ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় শহরের খাদ্য সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র ভেগা উপত্যকা ৷ অচিরেই দুর্ভিক্ষ নেমে আসে শহরে ৷ দুর্ভিক্ষ যখন প্রকট আকার ধারণ করলো তখন প্রতারক ফার্দিনান্দ ঘোষণা করলো, মুসলমানরা যদি শহরের প্রধান ফটক খুলে দেয় এবং নিরস্ত্র অবস্থায় মসজিদে আশ্রয় নেয় তবে তাদের বিনা রক্তপাতে মুক্তি দেয়া হবে ৷
সেদিন ছিল ১৪৯২ সালের ১ এপ্রিল ৷ দুর্ভাগ্য তাড়িত গ্রানাডাবাসী অসহায় নারী ও মাসুম বাচ্চাদের করুণ মুখের দিয়ে তাকিয়ে খ্রিষ্টানদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে খুলে দেয় শহরের প্রধান ফটক ৷ সবাইকে নিয়ে আশ্রয় নেয় আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদে ৷ শহরে প্রবেশ করে খ্রিষ্টান বাহিনী মুসলমানদেরকে মসজিদের ভেতর আটকে রেখে প্রতিটি মসজিদে তালা লাগিয়ে দেয় ৷ এরপর একযোগে শহরের সমস্ত মসজিদে আগুন লাগিয়ে বর্বর উল্লাসে মেতে ওঠে হায়েনারা ৷ লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ-শিশু অসহায় আর্তনাদ করতে করতে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারায় মসজিদের ভেতর ৷ প্রজ্জ্বলিত অগ্নিশিখায় দগ্ধ অসহায় মুসলমানদের আর্তচিত্কার যখন গ্রানাডার আকাশ-বাতাস ভারী ও শোকাতুর করে তুলল তখন রাণী ইসাবেলা হেসে বলতে লাগলো, 'হায় এপ্রিলের বোকা! শত্রুর আশ্বাস কেউ বিশ্বাস করে?' সেই থেকে খ্রিষ্টান জগত্ প্রতি বছর ১লা এপ্রিল আড়ম্বরের সাথে পালন করে আসছে- April Fool মানে 'এপ্রিলের বোকা' উৎসব ৷
অত্যাচারী রাজা রডরিকের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণকে মুক্তি দেয়ার জন্য বীর মুজাহিদ তারিক বিন জিহাদ স্পেনে যে ইসলামী শাসনের সূত্রপাত করেছিলেন তার সফল ভোগ করেছিল স্পেনবাসী দীর্ঘ ৮০০ বছর ৷ স্পেনের ইতিহাসে এ স্বর্ণালী সময়ের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে গ্রানাদা, আল হামরা, কর্দোভা, সেভিজা, তলেদো ৷ কিন্তু আফসোস! বিলাস বসনে মত্ত হয়ে মুসলমানরা ইসলাম থেকে সরে দাঁড়ানোর ফলে তাদের জীবনে সীমাহীন দুঃখই কেবল নেমে আসেনি, তাদের অস্তিত্ব পর্যন্ত বিলীন হয়ে গেছে স্পেনের মাটি থেকে ৷ ১৯৯৩ সালের ১ এপ্রিল গ্রানাডা ট্র্যাজেডির ৫০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্পেনে আড়ম্বরপূর্ণ এক সভায় মিলিত হয়েছিল বিশ্ব খ্রিষ্ট সম্প্রদায় ৷ সেখানে তারা নতুন করে শপথ গ্রহণ করে একচ্ছত্র খ্রিষ্টীয় বিশ্ব প্রতিষ্ঠার। বিশ্বব্যাপী মুসলিম জাগরণ প্রতিহত করার জন্য গড়ে তোলে 'হলি মেরি ফান্ড' ৷ আর এরই ধারাবাহিকতায় গোটা খ্রিষ্টান বিশ্ব নানা অজুহাতে একের পর এক মুসলিম দেশগুলোতে আগ্রাসন চালাচ্ছে ৷ অতএব সামনে ভয়াবহ দুর্দিন ৷ এই দুর্দিনে এসব নব্য ইসাবেলাদের বিরুদ্ধে শান্তিকামী শক্তির চাই সুদৃঢ় ঐক্য ৷ আর যদি তা করতে ব্যর্থ হই তবে অচিরেই গ্রানাডার মতো বধ্যভূমিতে পরিণত হবে গোটা মুসলিম বিশ্ব।
কর্দোভা, এই সেই মসজিদ যেখানে বন্দি করে নিরিহ মানুষদেরকে আগুন পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।
গ্রানাদা, একদা মুসলিম রাজপ্রাসাদ, আজ মিউজিয়ামে পরিনত হয়েছে।
আলহামরা, মুসলিম কারুকার্যে ভরা। প্রথিবীর আশ্চর্যর একটি।
কর্দোভা, একদা এখান থেকেই স্পেন ও ইউরোপ শাসন করা হত। আজ দর্শনীয় নগরী।
সেভিজা, একদা মসজিদ, আজ মিউজিয়ামে পরিনত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের উপর ড্রোন উড়িয়ে গ্রেফতার
হোয়াইট হাউসের মাথার উপর ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। মার্কিন প্রশাসন সূত্র এ খবর জানিয়েছে।
কী কারণে ড্রোনটি ওড়াচ্ছিলেন, তা জানতে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, সম্ভবত হাউসের এরিয়াল ভিউয়ের ছবি তুলতেই ড্রোনটি ব্যবহার করা হচ্ছিল।
যদিও প্রকাশ্যে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০১৫
ইসলাম গ্রহণ করছেন লিন্ডসে লোহান
হলিউড সুপারস্টার লিন্ডসে লোহান ইসলাম গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে অনেকে মনে করছেন। ফাস্ট লিভিং এবং বাজে আচরণের জন্য আলোচিত এই তারকাকে নিউ ইয়র্কে তার কমিউনিটি সার্ভিসের প্রথম দিনে পবিত্র কোরআনের ইংরেজি অনুবাদ হাতে দেখা যায়। এ কারণেই ২৮ বছর বয়স্কা লোহান ইসলাম গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে অনেকে মনে করছেন।
ক্যাথলিক খ্রিস্টান হিসেবে জন্মগ্রহণকারী লোহান এর আগে ইহুদি ও বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কেও আগ্রহ দেখিয়েছেন।
তিনি বর্তমানে মদ ও ড্রাগ থেকেও বিরত থাকছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে লন্ডনে তিনি তার স্যোসাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পবিত্র কোরআনের আয়াত শেয়ার করেছিলেন। পরে অবশ্য সেগুলো মুছে দিয়েছিলেন।
অ্যালকোহল ও ড্রাগ সমস্যা কাটাতে তিনি সম্প্রতি আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝুঁকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
ভালবাসা দিবস মুসলমান দের জন্য হারাম
ইতিহাস
২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টানজগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল - সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর - সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট - সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর - আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর - সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ - সেন্ট পযাট্রিক ডে।
পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন উৎসব পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়।
বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।
হামাস
হামাস (আরবি: حماس (আরবি: حماس হামাস, "উদ্দীপনা", حركة المقاومة الاسلامية হারাকাত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া, "ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন" এর একটি আদ্যক্ষর) হল ফিলিস্তিনি সুন্নি ইসলামী বা ইসলামী
রাজনৈতিক দল যে গাজা স্ট্রিপ নিয়ন্ত্রণ করে। হামাসের ইজ্ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেড নামে একটি সামরিক শাখা আছে। জানুয়ারী ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনি পার্লামেন্ট সংসদীয় নির্বাচনে অধিকাংশ আসন জিতে,জুন ২০০৭ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিন অঞ্চলের গাজা ভূখণ্ড পরিচালিত করছে এবং তারপর সহিংস সংঘাতের মাধ্যমে ফাতাহ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে পরাজিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইস্রায়েল এবং জাপান হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যখন আরব দেশগুলি, রাশিয়া এবং তুরস্ক হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেনি।
গাজা শাসন
পশ্চিম তীরে হামাসের মুরাল।
ফিলিস্তিনে দুটি দল বেশ সক্রিয়। একটি হামাস, অন্যটি ফাতাহ। এর মধ্যে হামাসের দখলে রয়েছে গাজা এলাকা। ২০০৪ সালে আরাফাতের মৃত্যুর পর হামাস ও ফাতাহ'র মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয় এবং সেটা চরম আকার ধারণ করে ২০০৬ এর নির্বাচনের পর। ঐ নির্বাচনে হামাস জয়ী হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরব রাষ্ট্রসমূহ ফিলিস্তিনে সাহায্য বন্ধ করে দেয়। এরপর ২০০৭ সালে হামাস ফাতাহ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীকে পরাজিত করে গাজার দখল নিয়ে নেয়। সেই থেকে গাজা শাসন করছে হামাস।
হামাসের সুবিধা
Pro-Hamas rally in Damascus
পুরো মধ্যপ্রাচ্য পাল্টে দিয়েছে আরব-বসন্ত। হামাসের কাছে আছে আরও শক্তিশালী অস্ত্র। হামাসের ছোড়া রকেট ও গোলা থেকে রক্ষা পেতে ইসরায়েলের দিকে যে তোড়জোড়, তা নিয়ে বেশ উল্লাস চলছে সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকের অনেক পেজে। প্রথমবারের মতো রকেট হামলার হুমকির মুখে পড়েছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল-আবিব ও জেরুজালেম শহর। কূটনৈতিকভাবেও হামাস বেশ সুবিধা পাচ্ছে । আগে যখন ফিলিস্তিন-ইসরায়েল লড়াই বাঁধত, তখন মিসর ও তিউনিসিয়ার ক্ষমতায় ছিল পশ্চিমা-সমর্থিত স্বৈরশাসকেরা। আরব-বসন্তের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। এখন কায়রো ও তিউনিসের নতুন শাসকদের ওপর জোরালো প্রভাব রয়েছে ইসলামপন্থীদের। এতে সুবিধা হয়েছে হামাসের।
Palestine
The Vatican officially recognised the State of Palestine in a new treaty on Wednesday, sparking Israeli outrage. The treaty addresses the status of Catholic Churches and their activities in the occupied Palestinian territories.
The Israeli Foreign Ministry said that it was "disappointed" with the move, "which does not promote the peace process and distances the Palestinian leadership from returning to direct and bilateral negotiations."
The Vatican used the term "State of Palestine" for the first time in February 2013 after the UN General Assembly had recognised the state 3 months earlier. Vatican Foreign Minister Monsignor Antoine Camilleri acknowledged the change in status, saying that the shift was simply in line with the Holy See's position. A Vatican spokesman, the Reverend Federico Lombardi, added, "Yes, it's a recognition that the state exists."
Palestinian President Mahmoud Abbas will visit the Vatican this weekend to attend Pope Francis's canonisation of two new saints from Palestine on Sunday.
চলন্তবাসে ধর্ষণ
চলন্তবাসে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক গৃহকর্মী জানালা দিয়ে ঝাপ দিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করেছেন। এ ঘটনার পর স্থানীয় জনতা বাসসহ চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। বুধবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল উপজেলার কাজির শিমলায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে শেরপুরগামী এজি পরিবহণ নামে একটি যাত্রীবাহী বাসে ২৮ বছর বয়সী এক গৃহকর্মী ময়মনসিংহে আসছিল। ময়মনসিংহে নেমে অপর একটি বাসে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ শহরে যাওয়ার কথা। বাসটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল উপজেলার বৈলরে পৌছলে ওই গৃহকর্মী ছাড়া সব যাত্রী নেমে যান। বাসটি বৈলর ছঅড়ার পর হেলপার এনামুল হক ও রুবেল মিয়া গৃহকর্মীকে একা পেয়ে চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় বাসচালক নূর উদ্দিন (৩০) হেলপারদ্বয়কে নিবৃত্ত করেনি বরং নিজেও যৌন হয়রানিমূলক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে গৃহকর্মী সম্ভ্রম বাঁচাতে চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে ঝাপ দেয়। তখন বাসটি ত্রিশাল উপজেলা কাজির শিমলা এলাকা অতিক্রম করছিল। মশিউর রহমান নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি গৃহকর্মীকে ঝাপ দিতে দেখেন এবং তাকে উদ্ধার করেন। তিনি বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর দ্রুত চুরখাই বাজরের লোকজনকে জানান। ওই সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে চুরখাই বাজারে বাস থামিয়ে চালক একটি হোটেলে ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন ওই মহিলাকে নিয়ে চুরখাই বাজরে এসে বাসটি শনাক্ত করেন। হোটেলে খাবারের সময় বাস চালককেও আটক করে। পরে স্থানীয় লোকজন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ বাসসহ চালককে আটক করেন।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মো. ফজলুল করিম জানান, বাস চালক নূর উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুই হেলাপারের পরিচয় জানা গেছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।.jpg)
.jpg)
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০১৫
সালাহউদ্দিন আহমেদ
ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ গ্রেফতার হওয়ার পর তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি কিভাবে এদেশে এসেছেন। জবাবে তিনি বলেন, “আমি জানিনা”।
সালাহউদ্দিন আহমেদকে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার শিলংয়ের রাস্তায় ঘোরাঘুরির সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর তাকে মেঘালয় ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ এন্ড নিউরো সায়েন্স (মিমহান্স) এ ভর্তি করানো হয়।
ভারতের নর্থইস্ট টুডে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মেঘালয়ের আরেকটি দৈনিক পত্রিকা শিলং টাইমস অনলাইনেও বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমদেকে শিলং থেকে গ্রেফতার করেছে সে দেশের পুলিশ।
নর্থইস্ট টুডের প্রতিদেবনে বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমেদ এর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি কিভাবে শিলংয়ে প্রবেশ করলেন। উত্তরে তিনি বলেছেন, “আমি জানিনা”।
মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছেন তার শারিরীক অবস্থা খুব বেশি ভাল না থাকায় তাকে এখনই বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছেনা। মেঘালয়ের ইস্ট খাসি হিলস পুলিশ সুপার খারখারং বলেন, সালাহউদ্দিনকে আদালতে হাজির করার চিন্তা করা হচ্ছে। কিন্তু তার শারিরীক দুরবস্থার কারনে প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
এ পুলিশ সুপার জানান ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মিমহান্স এর এডিশনাল সুপারেনটেন্ডেন্ট ডাক্তার সিনকন জানান, সোমবার বিকালে তারা পুলিশের কাছ থেকে একটি আবেদন পেয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তির বিষয়ে। তিনি জানান তাকে এখানে আনার পর আমাদের মনোচিকিৎসকগন তাকে পরীক্ষা করেছেন এবং তার কোন মানসিক সমস্যা নেই বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে তার হার্টের সমস্যা রয়েছে। সে কারনে আমরা তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তাব করেছি।
পুলিশ সুপার খারখারাং জানান সালাহউদ্দিনকে গ্রেফতারের পর প্রথমে শিলং সিভিল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে মিমহান্সে পাঠানো হয়েছে।
নর্থইস্ট টুডের প্রতিবেদনে বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমেদকে মিমহান্স হাসপাতালের বাইরে আনার পর তিনি নিজেকে বাংলাদেশের বিএনপি নেতা দাবি করেন। তিনি কিভাবে শিলংয়ে এলেন জানতে চাইলে ‘আমি জানিনা’ বলে জবাব দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয় বিএনপি মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদ কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তার স্ত্রী মঙ্গলবার দাবি করেছেন মেঘালয় মানসিক হাসপাতাল থেকে তার স্বামী তাকে ফোন করে জানিয়েছেন তিনি এখানে রয়েছেন।
www.google.com
সালাহউদ্দিন আহমেদকে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার শিলংয়ের রাস্তায় ঘোরাঘুরির সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর তাকে মেঘালয় ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ এন্ড নিউরো সায়েন্স (মিমহান্স) এ ভর্তি করানো হয়।
ভারতের নর্থইস্ট টুডে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মেঘালয়ের আরেকটি দৈনিক পত্রিকা শিলং টাইমস অনলাইনেও বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমদেকে শিলং থেকে গ্রেফতার করেছে সে দেশের পুলিশ।
নর্থইস্ট টুডের প্রতিদেবনে বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমেদ এর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি কিভাবে শিলংয়ে প্রবেশ করলেন। উত্তরে তিনি বলেছেন, “আমি জানিনা”।
মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছেন তার শারিরীক অবস্থা খুব বেশি ভাল না থাকায় তাকে এখনই বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছেনা। মেঘালয়ের ইস্ট খাসি হিলস পুলিশ সুপার খারখারং বলেন, সালাহউদ্দিনকে আদালতে হাজির করার চিন্তা করা হচ্ছে। কিন্তু তার শারিরীক দুরবস্থার কারনে প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
এ পুলিশ সুপার জানান ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মিমহান্স এর এডিশনাল সুপারেনটেন্ডেন্ট ডাক্তার সিনকন জানান, সোমবার বিকালে তারা পুলিশের কাছ থেকে একটি আবেদন পেয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তির বিষয়ে। তিনি জানান তাকে এখানে আনার পর আমাদের মনোচিকিৎসকগন তাকে পরীক্ষা করেছেন এবং তার কোন মানসিক সমস্যা নেই বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে তার হার্টের সমস্যা রয়েছে। সে কারনে আমরা তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তাব করেছি।
পুলিশ সুপার খারখারাং জানান সালাহউদ্দিনকে গ্রেফতারের পর প্রথমে শিলং সিভিল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে মিমহান্সে পাঠানো হয়েছে।
নর্থইস্ট টুডের প্রতিবেদনে বলা হয় সালাহউদ্দিন আহমেদকে মিমহান্স হাসপাতালের বাইরে আনার পর তিনি নিজেকে বাংলাদেশের বিএনপি নেতা দাবি করেন। তিনি কিভাবে শিলংয়ে এলেন জানতে চাইলে ‘আমি জানিনা’ বলে জবাব দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয় বিএনপি মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদ কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তার স্ত্রী মঙ্গলবার দাবি করেছেন মেঘালয় মানসিক হাসপাতাল থেকে তার স্বামী তাকে ফোন করে জানিয়েছেন তিনি এখানে রয়েছেন।
www.google.com
সোমবার, ১১ মে, ২০১৫
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)





.jpg)


.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)



